1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. Kalerporibarton@gmail.com : kalerparibartan :
জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি : আমদানির অপেক্ষায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল - kalerparibartan
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| বিকাল ৪:৩৬|
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে বিদেশি মদ ও সাড়ে ১২ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ কুমিল্লার দাউদ কান্দিতে ট্রাক উল্টে নিহত ৭ আহত ৬ রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণিল বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু ওয়াসার শতকোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ টেন্ডার প্রক্রিয়া ঘিরে নানা প্রশ্ন নববর্ষে উন্নয়ন ও জনসেবার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন শপিংমল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার আশুলিয়া জামগড়ায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ গুরুত্ব আশুলিয়ায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বৃষ্টি উপেক্ষা করে কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় : উৎসবের আমেজে সৈকত জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি : আমদানির অপেক্ষায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল

জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি : আমদানির অপেক্ষায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৩ Time View

জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি: আমদানির অপেক্ষায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল।

​আন্তর্জাতিক ডেস্ক | রয়টার্স মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্বস্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় থাকা প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) বিশ্ববাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

​মজুদের পরিমাণ ও বর্তমান পরিস্থিতি
​বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর থেকে চীনের জলসীমা পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে বিভিন্ন জাহাজে এই বিপুল পরিমাণ তেল মজুদ রয়েছে।
​কেপলার-এর তথ্য: প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ম্যানেজার ইমানুয়েল বেলোস্ট্রিনো জানান, বর্তমানে প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল সমুদ্রে ভাসমান রয়েছে।

​এনার্জি এসপেক্ট-এর মূল্যায়ন: তাদের মতে, এই মজুদের পরিমাণ ১৩০ থেকে ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল, যা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উৎপাদন ঘাটতি বিবেচনায় প্রায় ১৪ দিনের সরবরাহের সমান।

​এশিয়ার দেশগুলো তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় শোধনাগারগুলো উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানি তেলের এই বিশাল মজুদ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

​তেল কিনতে আগ্রহী যেসব দেশ
​২০১৮ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর থেকে চীন ছিল ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে:
​ভারত: অন্যান্য এশীয় দেশের তুলনায় ভারতের তেলের মজুদ কম থাকায় দেশটি ইরানি তেল কেনার জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারতের তিনটি শোধনাগার সূত্র জানিয়েছে, তারা সরকারের সবুজ সংকেত ও পেমেন্ট শর্তাবলির স্বচ্ছতার অপেক্ষায় আছে।

​অন্যান্য দেশ: অতীতে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইতালি, গ্রিস, তাইওয়ান ও তুরস্ক ইরানি তেলের বড় আমদানিকারক ছিল, যারা পুনরায় তেল কেনার বিষয়ে আগ্রহী হতে পারে।
​বিদ্যমান জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ
​বিপুল পরিমাণ তেল মজুদ থাকলেও এটি আমদানিতে কিছু ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে:

​অর্থ প্রদান পদ্ধতি: আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতার কারণে অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
​পরিবহন ঝুঁকি: তেলের একটি বড় অংশ পুরোনো ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া জাহাজে বহন করা হচ্ছে, যা নিরাপত্তার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

​তৃতীয় পক্ষ: নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে ইরানি তেলের একটি বড় অংশ সরাসরি না হয়ে তৃতীয় পক্ষের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে, যা চুক্তি প্রক্রিয়াকে কিছুটা জটিল করে তুলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025               Themes By Create BDITWork.com